বাগেরহাটের সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন)সকাল ১০টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাব সভাকক্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বশীল শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (MIPS) প্রকল্পের আওতায় এবং FCDO-এর আর্থিক সহায়তায় এ সংলাপের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বতেন।
বাগেরহাট জেলা PAN-এর কোঅর্ডিনেটর এস. কে. এ. হাসিবের সভাপতিত্বে এবং পিএফজি সদস্য ও সাংবাদিক ইয়ামিন আলীর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ। সংলাপে বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত, মসজিদের ইমাম, চার্চের পাদ্রিগণ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, যুব সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যই হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থান। এই ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করতে ধর্মীয় সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; বরং ধর্মীয় নেতা, নাগরিক সমাজ, যুবসমাজ এবং গণমাধ্যমসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, ভিন্ন ধর্ম, মত ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থা বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হলো আন্তঃধর্মীয় সংলাপ। এ ধরনের উদ্যোগ বৈষম্য, বিভেদ ও ভুল বোঝাবুঝি দূর করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি সকলকে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।





































