বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নে প্রথমিক বিদ্যালয়ের চলমান ভবনের কাজ হস্তান্তরের পূর্বেই ছাদের পলেস্তারা খসে গিয়ে পানি নিষ্কাসন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ৪ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেলায়।
ওই বিদ্যালয়ের সহ - সভাপতি হাসনাত খান তরুন ও প্রধান শিক্ষক কমল চন্দ্র দাস দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের অজান্তে রাতের আধারে প্রচন্ড বৃষ্টিে মধ্যে স্হানীয় ও প্রভাবশালি হওয়ায় তাদের খেয়াল খুশিমত ছাঁদ ঢালাই করেন ঠিকাদার প্রতিষ্টানের মালিক পক্ষ। তা ছারাও নিচ তলার পুরাতন জানালা খুলে ছাদের রুমে লাগিয়ে রং দিয়ে ঢেকে দেন বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক কমল কৃষ্ণ দাস। তিনি মনে করেন, নিয়ম মেনে সঠিক ভাবে কাজ না কারায় ছাদের পলেস্তারা খঁসে পরে বৃষ্টি আসলেই ছাদ চুসে পানি নিষ্কাসন হচ্ছে । এর প্রতিকার করা না হলে স্বল্প সময়ের মধ্যে ছাদ খসে পরার অসংখ্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে কচিকাঁচা শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনায় শিকার হতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক কমল মাষ্টার।
অপরদিকে তদারাকি কর্মকর্তা (ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট) বাবুগঞ্জ মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন,,দিনের বেলায় ছাদ ঢালাই দেয়ার কথা থাকলেও তারা (ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের মালিক) পক্ষ তার কথা অমান্য করে, আমাকে না জানিয়ে ৩৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দকৃত ভবনের ছাদ নিজ খেয়ালখুশিমত প্রভাব খাটিয়ে ঢালাইয়ের কাজ রাতেই শেষ করায় কাজে অনিয়ম করেছেন বলে মনে করেন তিনি। তবে কাজে অনিয়ম দেখা দিলে এর বিহিতে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্তা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
অপর দিকে উপজেলা প্রকৌশলি বাবুগঞ্জ মোঃ আক্তার হোসেন বলেন, এ বিষয় তিনি অবগত নন তবে কাজে অনিয়ম লক্ষ করা গেলে তার বিহিতে পূন স্ংস্কারে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্হা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।





































