দেশের বাজারে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা।
আজ সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এ নিশ্চয়তা দেন।
দেশে এলপিজির বর্তমান আমদানি, মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি, বাজারদর এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনার জন্য এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
সভায় দেশের এলপিজি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এবং চলতি সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখ পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজির সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক। এ অবস্থায় বর্তমানে দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে জানান আমদানিকারক ও অপারেটররা।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহক পর্যায়ে যেন সরবরাহে কোনো ঘাটতি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন এলপিজি মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে না পারে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
এ সময় অপারেটররা এলপিজির স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মন্ত্রী বলেন, এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের বাধা দূর করতে মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
বৈঠকে মন্ত্রী এলপিজি অপারেটরদের ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা শোনেন এবং এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানে জ্বালানি বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।





































