রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ হালিমা বেগম সুমি হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি মো. মহিবুর কামাল ওরফে মহিবুল্লাহকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাঙ্গামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আহসান তারেক এই রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি আসামীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১১ মার্চ রাতে কাপ্তাই এলাকার বিএফডিসি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত বাথরুমে নিয়ে মাথায় ইট দিয়ে থেঁতলে হালিমা বেগমকে হত্যা করা হয়। পরে প্রমাণ গোপনে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেয় আসামি। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত ০৬ অক্টোবর মঙ্গলবার এই রায় প্রদান করেন।
মামলার একমাত্র আসামি মাহিবুর কামাল প্রকাশ মুহিবুল্লাহ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১১ মার্চ কাপ্তাইয়ের বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত বাথরুমে হাছিনা বেগম ওরফে সুমিকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মাথায় আঘাতের কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে যুক্তি তুলে ধরে বলে, সাক্ষীদের জবানবন্দি, তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে। আসামি হত্যার পর মরদেহ গোপন ও আলামত নষ্টেরও চেষ্টা করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে অবহিত করে।
সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত আসামিকে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিলের সুযোগ রয়েছে।





































