গৌরনদীতে চাঁদার দাবি জানিয়ে জেলা পরিষদ কর্তৃক ৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দকৃত কাজ শুরু হতেই চাঁদার দাবি জানিয়ে চলমান কাজ প্রায় আড়াই ঘন্টা বন্ধ থাকার পর চাঁদাবাজ নান্নু ও মোর্শোদ বাহিনীর দাবিকৃত চাঁদা দেয়ার কথা স্বিকারের পর পুনরায় কাজ চালু করা হয়। এ ঘটনায় স্হানীয়দের মাঝে চরম চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় সাবকন্টাকটর গৌরনদী উপজেলার কটক স্হলের আবুল তার লোকজন নিয়ে চরম হতশার মাঝে দিন কাটান। ঠিকাদার প্রতিষ্টানের প্রতিনিধি জুয়েল বলেন, দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা দেনদরবারের পর সমোজতার এক পর্য়ায় নান্নু ও মোর্শেদ বাহিনীর দাবিকৃত চাঁদার টাকার ফযসালার পর কাজ শুরু করতে পারায় সাবক্ট্কটর আবুল ও ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের প্রতিনিধি সোহেব জুয়েলের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
ঘটনাটি ঘটেছে ১ অক্টবার ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার গৌরনদী উপজেলার গৌরনদী পৌরসভার কোচ কাউন্টার ঘিরে ফাঁকা জায়গা ইটের সলিং করার বেলায়। ঠিকাদার প্রতিষ্টানের প্রতিনিধি জুয়েল জানান বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ঠাকুর মুল্লিক গ্রামের আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের পুত্র চাঁদা ও অস্ত্রবাজ মোর্শেদ ও একই গ্রামের আলিআজিম খানের পুত্র চাঁদাবাজ নান্নুখান তাদের বাহিনী দিয়ে চলমান সরকারি কাজ বন্ধ করে দেয়ার এক পর্যায় তাদের দাবিকৃত চাঁদার ২৫ হাজার টাকা দেয়ার কথা স্বিকার করায় কাজ করার অনুমতি পেয়ে গতকাল ২ অক্টোবর শুক্রবার ইটের সলিং এর কাজ শুরু করেন জুয়েল খলিফা। ঘটনা স্হানে উপস্থিত একাধিক সাংবাদিকদের মধ্যে সাংবাদিক হিরা বলেন, চাঁদাবাজ নান্নু ও মোর্শেদের খুটির জোর কোথায় এরা এই আমলেও বাহিনী তৈরি করে নেপথ্যে চাঁদা তুলে যাচ্ছে ঘটনাটি পরিতাপের বিষয়। তিনি (হিরা) আরো বলেন এ সকল চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা না হলে তা বেপরোয়া হযে যাবে এবং সঠিক ভাবে কেউ কাজ করতে পারবেনা।
অপর দিকে সাংবাদিক জুয়েল বলেন এ সকল চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা না হলে কোথাও কাজ করে শান্তি পাবেনা ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের মালিকের লোকজন। তাই এ সকল তালিকা ভুক্ত চাঁদাবাজ ও অস্ত্রবাজদের অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার প্রতিষ্টানের লোকজন।





































