আষাঢ় মাস শুরু হয়েছে। বর্ষার বৃষ্টিতে পাহাড় সবুজের চাদরে ঢেকে গেলেও রাঙ্গামাটির অনেক বাগানে এখনো দেখা মিলছে পাকা আমের সমারোহ। রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে সুস্বাদু আম্রপালি ও রুপালি আম। চলতি ২০২৬ মৌসুমে রাঙ্গামাটিতে আমের ফলন নিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে সন্তোষ।
পাহাড়ি মাটি, অনুকূল আবহাওয়া এবং পরিচর্যার কারণে এ বছর রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকায় আমের উৎপাদন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চাষিরা। বিশেষ করে আম্রপালি জাতের আমের আকার, রং ও স্বাদ ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি রুপালি আমও বাজারে ভালো চাহিদা তৈরি করেছে। রাঙ্গামাটি জেলার উপজেলা সদর, বরকল , নানিয়ারচর , কাপ্তাইসহ বিভিন্ন উপজেলার বাগানগুলোতে এখনো অনেক গাছে ঝুলছে পরিপক্ব আম। কোথাও কোথাও দেরিতে আসা আম এখনো সংগ্রহ করছেন চাষিরা। বাগান থেকে আম নামিয়ে স্থানীয় হাট-বাজারে সরবরাহ করছেন ব্যবসায়ীরা।
রাঙ্গামাটির বাজারগুলোতে বর্তমানে আমের সরবরাহ বেড়েছে। বিভিন্ন বাজারে দেশি জাতের পাশাপাশি আম্রপালি ও রুপালি আমের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় ক্রেতারাও তুলনামূলক স্বস্তিতে পছন্দের আম কিনতে পারছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর আমের সরবরাহ ভালো থাকায় বাজারে বেচাকেনাও জমে উঠেছে। পাহাড়ি এলাকার উৎপাদিত আমের স্বাদ ও গুণগত মানের কারণে জেলার বাইরেও এর চাহিদা রয়েছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাঙ্গামাটির পাহাড়ি এলাকায় আম চাষের সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে। পরিকল্পিত বাগান ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাত নির্বাচন ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পাহাড়ের আম ভবিষ্যতে বড় অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।





































