টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফিতে সঞ্জু স্যামসনের চুম্বন। ছবি : ইন্সটাগ্রাম
পরিস্থিতি এমন ছিল যেন বেঞ্চ গরম করেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ করতে হয় সঞ্জু স্যামসনকে। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে ভাগ্যেকে পাশে পেয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন স্যামসন। তার ব্যাটিং নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ শিরোও ধরে রাখে ভারত। স্যামসনের নামের পাশে এবার আরেকটি স্বীকৃতি জুটল।
মার্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য আইসিসির মাসসেরার পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় ওপেনার। এই পুরস্কার তার ক্যারিয়ারে প্রথম। সেরা হওয়ার পথে স্যামসন পেছনে ফেলেছেন সতীর্থ যাশপ্রীত বুমরাহ ও দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার কনর এস্টারহুইজেনকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুর দিকে একাদশে জায়গা পাননি স্যামসন।
পরে সুযোগ পান সতীর্থ রিংকু সিংয়ের বাবা মারা যাওয়ায়। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। বলা যায়, একা হাতেই ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে জিততে না পারলে সেমিফাইনালে যাওয়া সম্ভব হতো না ভারতের। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে সেদিন অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে শেষ চারে তোলেন স্যামসন। সেমিফাইনাল এবং ফাইনালেও স্যামসনের ব্যাট হাসে। দুই ম্যাচেই সমান ৮৯ রান করেন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার। মার্চ মাসে হ্যাটট্রিক ফিফটির জন্যই এবার মাসসেরার পুরস্কার জিতলেন। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টে ৫ ইনিংসে ৩২১ রান করে টুর্নামেন্টসেরাও হন তিনি।
অন্যদিকে মেয়েদের মার্চ মাসের সেরা হয়েছেন অ্যামেলিয়া কার। ব্যাট-বলে দুর্দান্ত এক মাস কাটিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১৪০ রানের বিপরীতে বল হাতে ১৬ উইকেট নেন তিনি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৩৪ রানে ৭ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিংও করেন এই লেগস্পিনার। মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও একটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটি আছে কারের, উইকেট নিয়েছেন ৭টি। বেথ মুনি ও আয়াবোঙ্গা খাকাকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো মাসসেরা হয়েছেন তিনি।





































