সেকান্দর আলী (স্টাফ করেসপন্ডেট)
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে ‘অ্যাক্রেডিটেশন ইন হায়ার এডুকেশন: ডকুমেন্টেশন অ্যান্ড রেডিনেস’ (Accreditation in Higher Education: Documentation and Readiness) শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ) বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (IQAC) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রুহুল আমিন এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ উদ্দিন ভূঁঞা ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি (IQAC) পরিচালক প্রফেসর ড. এম. আসাদুজ্জামান সরকার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মুরাদ আহমেদ ফারুখ। প্রধান বক্তা হিসেবে প্রফেসর ড. মো: আসাদুজ্জামান সরকার এবং পর্যালোচক হিসেবে প্রফেসর ড.মো: আবুল হাশেম, প্রফেসর ড. মো: শওকত আলী ও প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জাভিদুল হক ভূঁইয়া আলোচনায় অংশ নেন। বক্তারা উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সুদৃঢ় করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন এখন সময়ের দাবি। এর জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি গ্রহণে শিক্ষকদের যথাযথ ভূমিকা পালন করতে হবে।শিক্ষকতা আমাদের পেশা, আমরা এখানে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নতুন কারিকুলাম তৈরি করি, কোর্স কন্টেন্ট তৈরি করি, পড়াই এবং এই কোর্স কন্টেন্ট পড়ে ছেলে-মেয়েরা যেনো বিশ্ব-ব্যবস্থাপনায় গ্রহণযোগ্য হয়।অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের অ্যাক্রেডিটেশন না পেলে সেটা বাধাগ্রস্ত হবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং পাকিস্তান এক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গেছে কিন্তু আমরা এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে যেতে পারিনি। এটার অর্থ এই নয় যে আমাদের মেধা নেই, আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মেধার কোন ঘাটতি নেই মূলত আমলাতান্ত্রিক জটিলতাই এক্ষেত্রে মূল সমস্যা। তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদেরকে মনোযোগের সঙ্গে এই কর্মশালাটি সম্পন্নের পরামর্শ প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের ৩০জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।





































